MDC-Facebook

ইউনিবেটর মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে বিশ্বের শীর্ষ টেক জায়ান্ট

image_print

ইউনিবেটর মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অংশ নিচ্ছে বিশ্বের শীর্ষ টেক জায়ান্ট গুগল, ফেসবুক এবং মাইক্রোসফটের মতো টেক জায়ান্টরা।

দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ মেন্টর গড়ে তোলার উদ্যোগে ইউনিবেটর ‘মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্প’-এর অতিথি সেশন এবং প্যানেল ডিসকাশনে শনিবার অংশ নিয়েছেন ফেসবুকের এমার্জিং মার্কেট (অ্যাপাক) ডিরেক্টর জর্ডি ফোর্নিজ, হেড অব পাবলিক পলিসি সাবহানাজ রশীদ দিয়া এবং মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলস মাশরুর হোসাইন।

বিশ্বের সবচাইতে বড় এই টেক জায়ান্টদের পরামর্শ ও সেই সঙ্গে সরকারি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সংযুক্তিতে এই মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্প বাংলাদেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ক্যাম্পের অংশগ্রহণকারীরা।

স্টার্টআপ কালচার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রথমবারের মত আইইবি ঢাকা সেন্টারে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের নিয়ে এ ধরণের ক্যাম্পের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এর আওতাধীন শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্প, চুয়েট এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা সেন্টার। আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইভ্যালি।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি অতিথি সেশনে গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজার (এনবিইউ)-এর হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে সেশনে আলোচনা করেন তিনি।

আর শেষ দিন রবিবার দুপুরে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পের প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেবেন এসবিকে ফাউন্ডেশন এবং এসবিকে টেক ভেঞ্চার-এর প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবীর।

চারদিন ব্যাপী এই ‘মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প’-এ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ। এই সকল পর্যায়ের সহায়তা ও মিথস্ক্রিয়ায় সঠিকভাবে দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে বলে জানান বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটির স্টার্টআপ পলিসি এবং ইনকিউবেশন স্ট্রাটেজি বিষয়ক কনসালটেন্ট আশিকুর রহমান রূপক।

‘ইউনিবেটর’-এ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের থিসিস বা প্রজেক্ট পেপার থেকে বাছাইকৃত শীর্ষ ১০টি উদ্ভাবনী আইডিয়াকে পণ্য বা সেবায় রূপ দেয়ার জন্য মাসব্যাপী ইনকিউবেশন শেষে ১০টি আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই নতুন কোম্পানিগুলোকে হাইটেক পার্কের স্থাপনায় অফিস স্পেস দেয়া হবে এবং প্রত্যেকটি স্টার্টআপকে ১০ লাখ টাকা প্রাথমিক মূলধন প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও শীর্ষ তিনটি স্টার্টআপ গ্লোবাল কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করবে। ইউনিবেটর প্রোগ্রামের সহযোগি হিসেবে রয়েছে ইভ্যালি। এ ছাড়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং আইসিটি ডিভিশনের আইডিয়া প্রজেক্ট। সূত্র: দিগি বাংলা।

Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *