Backdrop-01

Unibator program draws huge response from youths

Unibator, a program that hopes to bring a change in the thinking process of educational institutions and upcoming graduate-level students regarding the thesis and academic projects, is attracting huge response from youths.
“Initiated by the Bangladesh Hi-Tech Park Authority (BHTPA) and Institution of Engineers, Bangladesh (IEB), the program aims to turn all the innovative ideas of any university-level student to business through proper guidance. The students can take part in the program with their thesis, projects or assignments. We would select 10 best innovative ideas from these thesis or project papers and after month-long incubation to turn them into product or service, we would make them world-class companies,” Engineer Kazi Khairul Bashar, honorary secretary of IEB Dhaka center, told media, reports BSS. State Minister for ICT Division Zunaid Ahmed Palak launched the program on January 29 and registration process was launched on February 1 and will go on till February 28. Youths can register themselves for the program on https://www.unibatorbd.org/ . According to the Institution of Engineers, Bangladesh (IEB) sources, more than five thousand youths have so far registered themselves till now.

Under this Unibator platform, mentor development camp is being held in the country for the very first time. Starting from February 11, the camp will go on at IEB Dhaka Center till February14. Some teachers of different universities will be prepared as ‘startup mentor’ and an information ecosystem would be created through them. These teachers would hold different sessions later for the students and also act as their mentors.
 “The 10 winning startups would be given office space at infrastructures of Bangladesh Hi-Tech Park Authority and each startup would be given Taka 10 lakh as primary capitol. The three best startups would be given chance to take part in global competition,” Engineer Kazi Khairul Bashar added. Source: The Asian Age.

pic1

Programme to support varsity students in business launched

The government has launched special programme for university level students to support them for developing business model following the final-year project in post-graduation.
ICT State Minister Zunaid Ahmed Palak was connected as chief guest to the closing ceremony of mentor development camp held at IEB headquarters in the capital on Sunday.
BHTPA Managing Director Hosne Ara Begum, Awami League Science and Technology Affairs Secretary Abdus Sabur, IEB General Secretary Shahdat Hossain, were, present, among others, on the occasion.
Bangladesh Hi-Tech Park Authority (BHTPA) organized the Unibetor under Establishment of Sheikh Kamal IT Training and Incubation Center project for youths who completed post graduation. Dhaka Centre of Institute of Engineers Bangladesh (IEB) implements the programme.
State Minister Palak said the government has planned to develop 200 mentors across the country to support youths in business development.
“ICT Division has formulated innovation design to make coordination among government, educational institutes and industrialists. The innovation design will support the authorities to achieve Digital Bangladesh vision,” he said.
Palak further mentioned ICT Division has focused on local innovations from beginning of Digital Bangladesh programme and provided support them to develop global business opportunities from home-grown innovation.
Officials mentioned that around 1 million students started careers after post graduation every year. They completed the courses with a project submission which remains unexplored for maximum times.
To leverage the project idea of the university students, the Unibetor programme provides support 10 youths with funding up to Tk 1 milion and providing free office space for ten months to scale up business at international standard.
Earlier in first three days of the camp, officials from local and international tech companies including Google, Microsoft and Facebook participated in the knowledge sharing session with the participant universities’ faculties.
Google Next Billion Users project’s head of operations Bickey Russell, Facebook’s public policy manager Sabhanaz Rashid Diya, Microsoft Bangladesh’s head of channel seller Mashroor Hossain and Dell’s CXO advisory board member Sonia Bashir Kabir took different sessions in the four-day camp. Source: The daily observer bd.

MDC- Polok

স্টার্টআপ তৈরিতে মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ: পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ভবিষ্যত উদ্যোক্তা সাপ্লাই চেইন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরিতে মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের গাইড লাইন প্রদানের জন্য ২০২৫ সালের মধ্যে সারাদেশে ২০০ জন মেন্টর তৈরি করা হবে। তিনি আরও বলেন, আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইনোভেশন ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প উদ্যোক্তা সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ আরও ত্বরান্বিত হবে।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার আইইবি, ঢাকা সেন্টারে আয়োজিত ‘ইনোভেটর মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পের’ সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, চুয়েট, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্রের যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হাই-টেক পার্ক অথোরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলু, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. নূরুজ্জামান, প্রকৌশলী খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রনক আহসান, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হাবিব আহমেদ হালিম মুরাদ, সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, ইভ্যালির নির্বাহী পরিচালক মুরাদ হাসান খুরশেদসহ ইউনিবেটরের আয়োজকরা। সমাপনীর দিন পৃথক সেশন পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ইনোভেটর ও এন্টারপ্রেনিয়রদের মাধ্যমে হোম-গ্রোন সলিউশনে কাজ করছে সরকার। উদ্যোক্তাদের লোকাল এক্সপেরিয়েন্স কাজে লাগিয়ে গ্লোবাল বিজনেস অপরচুনিটি তৈরি করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের তত্ত্বাবধানে বিগত ১২ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত সুদৃড় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাত সঠিক অবকাঠামো গড়ে ওঠার কারণে দেশের সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

‘ইউনিবেটর’ প্রোগ্রামের মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পকে ‘ঐতিহাসিক’ এক অর্জন হিসেবে বর্ণনা করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেন্টর ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা যে আয়োজন করতে চেয়েছিলাম, তা এতটা সফলভাবে যে আয়োজন করা সম্ভব হবে এটা আমাদের প্রত্যাশাতীত। অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ফলাফল আমরা মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প থেকে পেয়েছি। ভবিষ্যতে এমন অনেক মেন্টর ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। কিন্তু প্রথম ক্যাম্পের এই অনুষ্ঠানটি ইতিহাস হয়ে থাকবে।

এমন একটি আয়োজনের জন্য হাই-টেক পার্ক অথরিটি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোসনে আরা বেগম, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, আইইবি’র সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রনক আহসান এবং হাইটেক পার্কের উপপরিচালক নরোত্তম পাল, কনসালটেন্ট তামজিদ বিন আহমেদ, ও আশিকুর রহমান রূপককে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা এই ইউনিবেটর প্রোগ্রামটি সফল করার জন্য কাজ করছেন এবং এটির প্রচারণার জন্য কাজ করছেন, তাদের সকলকে অশেষ ধন্যবাদ।’ অনুষ্ঠানে সহযোগিতার জন্য ইভ্যালিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বক্তব্যে করোনা মহামারিতে দেশের সেবায় কাজ করতে গিয়ে আইসিটি ডিভিশনের যারা মারা গেছেন তাদের স্মরণ করে দেশের প্রতি তাদের আত্মত্যাগের কথা জানান জুনাইদ আহমেদ পলক।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে আপনারা শুধু নিজেদের সমৃদ্ধ করেননি, বরং ভবিষ্যতে আমাদের উদ্যোক্তা তৈরির সাপ্লাই চেইন তৈরি করা এবং ইনোভেশন ইকোসিস্টেম তৈরির একটি ঐতিহাসিক ইভেন্ট আমরা সম্পন্ন করতে পেরেছি।

আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, যেকোনো দেশের সফলতার মূল বিষয় হলো নেতৃত্ব। বাংলাদেশের তা আছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে জোর দিয়েছেন। এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগ। সবকিছু এখন প্রযুক্তিনির্ভর। তাই আমাদেরও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে। সময়ের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তিকে ব্যবহার না করতে পারলে টিকে থাকা যাবে না।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি অতিথি সেশনে গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজারের (এনবিইউ) হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে সেশনে আলোচনা করেন তিনি। শনিবার মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে ছিলেন ফেসবুকের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ইমার্জিং মার্কেট ডিরেক্টর জর্ডি ফরনিস এবং বাংলাদেশে ফেসবুকের হেড অব পাবলিক পলিসি শাবহানাজ রাশিদ দিয়া। এই দুইজন আলোচনা করেন ‘ডিজিটাল ইকোনমি’তে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়ে। একই দিন পৃথক সেশনে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে অংশ নেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলার মাশরুর হোসেন। ‘কমিউনিটি টু ফুয়েল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সফরমেশন’ বা শিল্প রূপান্তরে শক্তি যোগানো কমিউনিটি বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। আর শেষ দিন রোববার সকালে “হাইটেক পার্কস ও অন্ট্রাপ্রেনরশিপ” বিষয়ে সেশনে মেন্টরিং করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির এমডি হোসনে আরা বেগম এনডিসি।এই দিন দুপুরে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পের প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন এসবিকে ফাউন্ডেশন এবং এসবিকে টেক ভেঞ্চার এর প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবীর এবং গ্লোবাল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ। সূত্র: বার্তা ২৪।

MDC-End

২০২৫ সালের মধ্যে ২০০ মেন্টর তৈরি করা হবে: পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ভবিষ্যত উদ্যোক্তা সাপ্লাই চেইন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরিতে মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের গাইডলাইন প্রদানের জন্য ২০২৫ সালের মধ্যে সারাদেশে ২০০ জন মেন্টর তৈরি করা হবে। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইনোভেশন ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প উদ্যোক্তা সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ আরও ত্বরান্বিত হবে।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার আইইবি, ঢাকা সেন্টারে আয়োজিত “ইনোভেটর মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পের” সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, চুয়েট, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্রের যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইনোভেটর ও এন্টারপ্রেনিয়র গণের মাধ্যমে হোম-গ্রোন সলিউশনে কাজ করছে সরকার। উদ্যোক্তাদের লোকাল এক্সপেরিয়েন্স কাজে লাগিয়ে গ্লোবাল বিজনেস অপরচুনিটি তৈরি করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের তত্ত্বাবধানে বিগত ১২ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত সুদৃড় ভিত্তির ওপর দাড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাত সঠিক অবকাঠামো গড়ে ওঠার কারণে দেশের সাড়ে ছয় লক্ষ ফ্রিল্যান্সার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

‘ইউনিবেটর’ প্রোগ্রামের মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পকে ‘ঐতিহাসিক’ এক অর্জন হিসেবে বর্ণনা করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেন্টর ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা যে আয়োজন করতে চেয়েছিলাম, তা এতটা সফলভাবে যে আয়োজন করা সম্ভব হবে এটা আমাদের প্রত্যাশাতীত। অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ফলাফল আমরা মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প থেকে পেয়েছি। ভবিষ্যতে এমন অনেক মেন্টর ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে। কিন্তু প্রথম ক্যাম্পের এই অনুষ্ঠানটি ইতিহাস হয়ে থাকবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন হাই-টেক পার্ক অথোরিটি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, আইইবি সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলু, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. নূরুজ্জামান, প্রকৌশলী খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রনক আহসান, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হাবিব আহমেদ হালিম মুরাদ, সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, ইভ্যালির নির্বাহী পরিচালক মুরাদ হাসান খুরশেদ সহ ইউনিবেটর-এর আয়োজকবৃন্দ। সমাপনীর দিন পৃথক সেশন পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি অতিথি সেশনে গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজার (এনবিইউ) এর হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে সেশনে আলোচনা করেন তিনি। শনিবার মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে ছিলেন ফেসবুকের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ইমার্জিং মার্কেট ডিরেক্টর জর্ডি ফরনিস এবং বাংলাদেশে ফেসবুকের হেড অব পাবলিক পলিসি শাবহানাজ রাশিদ দিয়া। এই দুইজন আলোচনা করেন ‘ডিজিটাল ইকোনমি’তে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়ে। একই দিন পৃথক সেশনে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে অংশ নেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলার মাশরুর হোসেন। ‘কমিউনিটি টু ফুয়েল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সফরমেশন’ বা শিল্প রূপান্তরে শক্তি যোগানো কমিউনিটি বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। আর শেষ দিন রবিবার সকালে “হাইটেক পার্কস ও অন্ট্রাপ্রেনরশিপ” বিষয়ে সেশনে মেন্টরিং করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির এমডি হোসনে আরা বেগম এনডিসি। সূত্র: মানবকণ্ঠ ।

MDC- Polok

গ্লোবাল আইটি জায়ান্টদের অংশগ্রহণে শেষ হলো মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ভবিষ্যত উদ্যোক্তা সাপ্লাই চেইন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরিতে মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের গাইড লাইন প্রদানের জন্য ২০২৫ সালের মধ্যে সারাদেশে ২০০ জন মেন্টর তৈরি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইনোভেশন ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প উদ্যোক্তা সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ আরও ত্বরান্বিত হবে।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার আইইবি, ঢাকা সেন্টারে আয়োজিত ‘ইনোভেটর মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পের’ সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, চুয়েট, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্রের যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন হাই-টেক পার্ক অথোরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, আইইবি সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলু, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. নূরুজ্জামান, প্রকৌশলী খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রনক আহসান, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হাবিব আহমেদ হালিম মুরাদ, সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, ইভ্যালির নির্বাহী পরিচালক মুরাদ হাসান খুরশেদ সহ ইউনিবেটর-এর আয়োজকবৃন্দ। সমাপনীর দিন পৃথক সেশন পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ইনোভেটর ও এন্টারপ্রেনিয়র গণের মাধ্যমে হোম-গ্রোন সলিউশনে কাজ করছে সরকার। উদ্যোক্তাদের লোকাল এক্সপেরিয়েন্স কাজে লাগিয়ে গ্লোবাল বিজনেস অপরচুনিটি তৈরি করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের তত্ত্বাবধানে বিগত ১২ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত সুদৃড় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাত সঠিক অবকাঠামো গড়ে ওঠার কারণে দেশের সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

‌‌‘ইউনিবেটর’ প্রোগ্রামের মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পকে ‘ঐতিহাসিক’ এক অর্জন হিসেবে বর্ণনা করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেন্টর ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা যে আয়োজন করতে চেয়েছিলাম, তা এতটা সফলভাবে যে আয়োজন করা সম্ভব হবে এটা আমাদের প্রত্যাশাতীত। অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ফলাফল আমরা মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প থেকে পেয়েছি। ভবিষ্যতে এমন অনেক মেন্টর ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে। কিন্তু প্রথম ক্যাম্পের এই অনুষ্ঠানটি ইতিহাস হয়ে থাকবে।

এমন একটি আয়োজনের জন্য হাই-টেক পার্ক অথরিটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোসনে আরা বেগম, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, আইইবির সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রনক আহসান এবং হাইটেক পার্কের উপপরিচালক নরোত্তম পাল, কনসালটেন্ট তামজিদ বিন আহমেদ, ও আশিকুর রহমান রূপককে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা এই ইউনিবেটর প্রোগ্রামটি সফল করার জন্য কাজ করছেন এবং এটির প্রচারণার জন্য কাজ করছেন, তাদের সকলকে অশেষ ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠানে সহযোগিতার জন্য ইভ্যালিকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বক্তব্যে করোনা মহামারিতে দেশের সেবায় কাজ করতে গিয়ে আইসিটি ডিভিশনের যারা মারা গেছেন তাদের স্মরণ করে দেশের প্রতি তাদের আত্মত্যাগের কথা জানান জুনাইদ আহমেদ পলক।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে আপনারা শুধু নিজেদের সমৃদ্ধ করেননি, বরং ভবিষ্যতে আমাদের উদ্যোক্তা তৈরির সাপ্লাই চেইন তৈরি করা এবং ইনোভেশন ইকোসিস্টেম তৈরির একটি ঐতিহাসিক ইভেন্ট আমরা সম্পন্ন করতে পেরেছি।

আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, যেকোনো দেশের সফলতার মূল বিষয় হলো নেতৃত্ব। বাংলাদেশের তা আছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে জোর দিয়েছেন। এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগ। সবকিছু এখন প্রযুক্তিনির্ভর। তাই আমাদেরও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে। সময়ের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তিকে ব্যবহার না করতে পারলে টিকে থাকা যাবে না।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি অতিথি সেশনে গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজার (এনবিইউ) এর হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে সেশনে আলোচনা করেন তিনি।

শনিবার মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে ছিলেন ফেসবুকের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ইমার্জিং মার্কেট ডিরেক্টর জর্ডি ফরনিস এবং বাংলাদেশে ফেসবুকের হেড অব পাবলিক পলিসি শাবহানাজ রাশিদ দিয়া। এই দুইজন আলোচনা করেন ডিজিটাল ইকোনমিতে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়ে।

একই দিন পৃথক সেশনে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে অংশ নেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলার মাশরুর হোসেন। ‘কমিউনিটি টু ফুয়েল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সফরমেশন’ বা শিল্প রূপান্তরে শক্তি যোগানো কমিউনিটি বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।

আর শেষ দিন রোববার সকালে ‘হাইটেক পার্কস ও অন্ট্রাপ্রেনরশিপ’ বিষয়ে সেশনে মেন্টরিং করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির এমডি হোসনে আরা বেগম এনডিসি। রোববার দুপুরে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পের প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন এসবিকে ফাউন্ডেশন এবং এসবিকে টেক ভেঞ্চার এর প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবীর এবং গ্লোবাল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ। সূত্র: আমার সংবাদ।

MDC-End

শেষ হলো গ্লোবাল আইটি জায়ান্টদের মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ভবিষ্যত উদ্যোক্তা সাপ্লাই চেইন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরিতে মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের গাইড লাইন প্রদানের জন্য ২০২৫ সালের মধ্যে সারাদেশে ২০০ জন মেন্টর তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইনোভেশন ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প উদ্যোক্তা সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ আরও ত্বরান্বিত হবে।
 
রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার আইইবি, ঢাকা সেন্টারে আয়োজিত “ইনোভেটর মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পের” সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, চুয়েট, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্রের যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, হাই-টেক পার্ক অথোরিটি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, আইইবি সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলু, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. নূরুজ্জামান, প্রকৌশলী খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রনক আহসান, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হাবিব আহমেদ হালিম মুরাদ, সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, ইভ্যালির নির্বাহী পরিচালক মুরাদ হাসান খুরশেদ সহ ইউনিবেটর-এর আয়োজকবৃন্দ। সমাপনীর দিন পৃথক সেশন পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ইনোভেটর ও এন্টারপ্রেনিয়র গণের মাধ্যমে হোম-গ্রোন সলিউশনে কাজ করছে সরকার। উদ্যোক্তাদের লোকাল এক্সপেরিয়েন্স কাজে লাগিয়ে গ্লোবাল বিজনেস অপরচুনিটি তৈরি করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের তত্ত্বাবধানে বিগত ১২ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত সুদৃড় ভিত্তির ওপর দাড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাত সঠিক অবকাঠামো গড়ে ওঠার কারণে দেশের সাড়ে ছয় লক্ষ ফ্রিল্যান্সার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

‘ইউনিবেটর’ প্রোগ্রামের মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পকে ‘ঐতিহাসিক’ এক অর্জন হিসেবে বর্ণনা করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেন্টর ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা যে আয়োজন করতে চেয়েছিলাম, তা এতটা সফলভাবে যে আয়োজন করা সম্ভব হবে এটা আমাদের প্রত্যাশাতীত। অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ফলাফল আমরা মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প থেকে পেয়েছি। ভবিষ্যতে এমন অনেক মেন্টর ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে। কিন্তু প্রথম ক্যাম্পের এই অনুষ্ঠানটি ইতিহাস হয়ে থাকবে।’

এমন একটি আয়োজনের জন্য হাই-টেক পার্ক অথরিটি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোসনে আরা বেগম, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, আইইবি’র সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রনক আহসান এবং হাইটেক পার্কের উপপরিচালক নরোত্তম পাল, কনসালটেন্ট তামজিদ বিন আহমেদ, ও আশিকুর রহমান রূপককে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এই ইউনিবেটর প্রোগ্রামটি সফল করার জন্য কাজ করছেন এবং এটির প্রচারণার জন্য কাজ
করছেন, তাদের সকলকে অশেষ ধন্যবাদ।’ অনুষ্ঠানে সহযোগিতার জন্য ইভ্যালি’কে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বক্তব্যে করোনা মহামারীতে দেশের সেবায় কাজ করতে গিয়ে আইসিটি ডিভিশনের যারা মারা গেছেন তাদের স্মরণ করে দেশের প্রতি তাদের আত্মত্যাগের কথা জানান জুনাইদ আহমেদ পলক।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে আপনারা শুধু নিজেদের সমৃদ্ধ করেননি, বরং ভবিষ্যতে আমাদের উদ্যোক্তা তৈরির সাপ্লাই চেইন তৈরি করা এবং ইনোভেশন ইকোসিস্টেম তৈরির একটি ঐতিহাসিক ইভেন্ট আমরা সম্পন্ন করতে পেরেছি।’

আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, ‘যেকোনো দেশের সফলতার মূল বিষয় হলো নেতৃত্ব। বাংলাদেশের তা আছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে জোর দিয়েছেন। এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগ। সবকিছু এখন
প্রযুক্তিনির্ভর। তাই আমাদেরও প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে। সময়ের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তিকে ব্যবহার না করতে পারলে টিকে থাকা যাবে না।’

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি অতিথি সেশনে গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজার (এনবিইউ) এর হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে সেশনে আলোচনা করেন তিনি। শনিবার মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে ছিলেন ফেসবুকের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ইমার্জিং মার্কেট ডিরেক্টর জর্ডি ফরনিস এবং বাংলাদেশে ফেসবুকের হেড অব পাবলিক পলিসি শাবহানাজ রাশিদ দিয়া। এই দুইজন আলোচনা করেন ‘ডিজিটাল ইকোনমি’তে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়ে। 

একই দিন পৃথক সেশনে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে অংশ নেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলার মাশরুর হোসেন। ‘কমিউনিটি টু ফুয়েল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রান্সফরমেশন’ বা শিল্প রূপান্তরে শক্তি যোগানো কমিউনিটি বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। আর শেষ দিন রবিবার সকালে “হাইটেক পার্কস ও অন্ট্রাপ্রেনরশিপ” বিষয়ে সেশনে মেন্টরিং করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির এমডি হোসনে আরা বেগম এনডিসি। রবিবার দুপুরে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পের প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন এসবিকে ফাউন্ডেশন এবং এসবিকে টেক ভেঞ্চার এর প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবীর এবং গ্লোবাল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ। সূত্র: একুশে টেলিভিশন।

MDC- Polok

উদ্যোক্তাদের গাইড লাইন দিতে ২শ’ মেন্টর তৈরি করা হবে: পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা সাপ্লাই চেইন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরিতে মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। 

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের গাইড লাইন প্রদানের জন্য ২০২৫ সালের মধ্যে সারাদেশে ২০০ জন মেন্টর তৈরি করা হবে। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ইনোভেশন ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পোদ্যোক্তা সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ আরও ত্বরানিত হবে। 

প্রতিমন্ত্রী রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা সেন্টার, ঢাকা সেন্টারে আয়োজিত ‘ইনোভেটর মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পের’ সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, চুয়েট, আইইবি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ইনোভেটর ও এন্টারপ্রেনিয়রগণের মাধ্যমে হোম-গ্রোন সলিউশনে কাজ করছে সরকার। উদ্যোক্তাদের লোকাল এক্সপেরিয়েন্স কাজে লাগিয়ে গ্লোবাল বিজনেস অপরচুনিটি তৈরি করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের তত্ত্বাবধানে বিগত ১২ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত সুদৃড় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাত সঠিক অবকাঠামো গড়ে ওঠার কারণে দেশের সাড়ে ছয় লক্ষ ফ্রিল্যান্সার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। 

অনলাইন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুর সবুর, আইইবি’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন। সূত্র: সময় নিউজ।

MDC-Facebook

UNIBATOR connects world top tech giants google, facebook, microsoft

DHAKA, Feb 13, 2021 (BSS) – Representatives of world’s top tech giants including google, facebook and Microsoft have joined virtually the guest sessions and panel discussions of a four-day Unibator Mentor Development Camp, an initiative to build startup mentors.

Participants of the camp hoped the initiative would play a crucial role to the development of startup ecosystem in Bangladesh as representatives of world’s top technological companies as well as officials of government’s policymaking level are joining it and giving suggestions.

Sheikh Kamal IT Business Incubator Project, CUET under Bangladesh Hi-Tech Park Authority (BHTPA) and Institution of Engineers, Bangladesh (IEB) arranged the camp, first of its kind in Bangladesh, at IEB Dhaka centre with the participation of university level teachers.

Managing Director, Emerging Markets, Asia Pacific Region at Facebook Jordi Fornies, Facebook’s head of public policy for Bangladesh Sabhanaz Rashid Dia joined the guest session today (Saturday) in the four-day camp that began on Thursday.

In their speeches, they focused on the importance of innovations in boosting up of digital economy.

Microsoft Bangladesh’s head of channel sales Mashroor Hossain joined a separate guest session today and discussion on “Empowering the Academic Community to Fuel Industrial Transformation”.

Earlier on February 11, Google’s Next Billion Users (NBU) Initiative Head of Operations Bickey Russell joined a guest session and discussed on ‘innovation and commercialization”.

Prime Minister’s Special Assistant Barrister Shah Ali Farhad will join a guest session tomorrow (Sunday) while SBK Foundation and SBK Tech Ventures Founder Sonia Bashir Kabir will join a panel discussion on ‘Investment Opportunities and Prerequisites’.

Representatives of different venture capital companies, local and international IT institutions and officials of policymaking levels of the government also joined different sessions in the four-day mentor development camp.

Bangladesh High-Tech Park Authority (BHTPA) Startup Policy and Incubation Strategy Affairs Consultant Ashiqur Rahman Rupok told BSS that such interactions, suggestions and assistances will help develop startup ecosystem properly.

The UNIBATOR program is expected to bring a change in the thinking process of the educational institutions and upcoming graduate-level students regarding the thesis and academic projects.

The name UNIBATOR has been derived from the statement, ‘University Incubator’ that will be connecting faculties of 20 universities across the nation, and through them, the programme will reach out to the graduating students to guide them to pick up topics to find solutions based on national challenges.

Through the Unibator programme, top ten innovative ideas from thesis or project papers will be launched as ventures by establishing 10 international standard companies.

After the initial selection, the selected students will go through a month-long incubation program, to think, design, develop and launch their ideas as a venture with the help of BHTPA and iDEA Project under ICT Division.

Office spaces will be given to the new companies at High Tech Park buildings and each startup will get Taka 10 lac as primary capital.

Besides, top three startups will take part in global competition. University Grants Commission (UGC) and iDEA Project are acting as strategic partners of the Unibator programme. Source: BSS news.

MDC-Facebook

ইউনিবেটর মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে বিশ্বের শীর্ষ টেক জায়ান্ট

image_print

ইউনিবেটর মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অংশ নিচ্ছে বিশ্বের শীর্ষ টেক জায়ান্ট গুগল, ফেসবুক এবং মাইক্রোসফটের মতো টেক জায়ান্টরা।

দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ মেন্টর গড়ে তোলার উদ্যোগে ইউনিবেটর ‘মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্প’-এর অতিথি সেশন এবং প্যানেল ডিসকাশনে শনিবার অংশ নিয়েছেন ফেসবুকের এমার্জিং মার্কেট (অ্যাপাক) ডিরেক্টর জর্ডি ফোর্নিজ, হেড অব পাবলিক পলিসি সাবহানাজ রশীদ দিয়া এবং মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলস মাশরুর হোসাইন।

বিশ্বের সবচাইতে বড় এই টেক জায়ান্টদের পরামর্শ ও সেই সঙ্গে সরকারি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সংযুক্তিতে এই মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্প বাংলাদেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ক্যাম্পের অংশগ্রহণকারীরা।

স্টার্টআপ কালচার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রথমবারের মত আইইবি ঢাকা সেন্টারে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের নিয়ে এ ধরণের ক্যাম্পের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এর আওতাধীন শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্প, চুয়েট এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা সেন্টার। আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইভ্যালি।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি অতিথি সেশনে গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজার (এনবিইউ)-এর হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে সেশনে আলোচনা করেন তিনি।

আর শেষ দিন রবিবার দুপুরে মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পের প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেবেন এসবিকে ফাউন্ডেশন এবং এসবিকে টেক ভেঞ্চার-এর প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবীর।

চারদিন ব্যাপী এই ‘মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প’-এ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ। এই সকল পর্যায়ের সহায়তা ও মিথস্ক্রিয়ায় সঠিকভাবে দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে বলে জানান বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটির স্টার্টআপ পলিসি এবং ইনকিউবেশন স্ট্রাটেজি বিষয়ক কনসালটেন্ট আশিকুর রহমান রূপক।

‘ইউনিবেটর’-এ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের থিসিস বা প্রজেক্ট পেপার থেকে বাছাইকৃত শীর্ষ ১০টি উদ্ভাবনী আইডিয়াকে পণ্য বা সেবায় রূপ দেয়ার জন্য মাসব্যাপী ইনকিউবেশন শেষে ১০টি আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই নতুন কোম্পানিগুলোকে হাইটেক পার্কের স্থাপনায় অফিস স্পেস দেয়া হবে এবং প্রত্যেকটি স্টার্টআপকে ১০ লাখ টাকা প্রাথমিক মূলধন প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও শীর্ষ তিনটি স্টার্টআপ গ্লোবাল কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করবে। ইউনিবেটর প্রোগ্রামের সহযোগি হিসেবে রয়েছে ইভ্যালি। এ ছাড়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং আইসিটি ডিভিশনের আইডিয়া প্রজেক্ট। সূত্র: দিগি বাংলা।

Backdrop-01

ইউনিবেটর: বিজয়ী দল পাবে ১০ লাখ টাকা ও ফ্রি অফিস স্পেস

‘ইউনিবেটর’ থেকে বিজয়ী ১০ দল মাসব্যাপী ইনকিউবেশনের পাশাপাশি নিজেদের আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ১০ লাখ টাকা এবং বিনামূল্যে অফিস স্পেস পাবে। সেই সঙ্গে বিজয়ী শীর্ষ তিন স্টার্টআপকে গ্লোবাল কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করানো হবে বলে জানায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজকবৃন্দ। শুক্রবার দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হওয়া মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পের দ্বিতীয় দিন কথাগুলো জানানো হয়।

স্টার্টআপ কালচার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রথমবারের মত আইইবি ঢাকা সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের নিয়ে এ ধরণের ক্যাম্পের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এর আওতাধীন শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্প, চুয়েট এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা সেন্টার, যেখানে সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইভ্যালি।

ইউনিবেটর মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পের অতিথি সেশনে গুগল, ফেসবুক ও মাইক্রোসফটের প্রতিনিধিরা রয়েছেন আলোচক হিসেবে। দেশে প্রথমবারের মতো ‘স্টার্টআপ মেন্টর’ গড়ে তোলার উদ্যোগে ইউনিবেটর ‘মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্প’-এর আয়োজন করছে যেখানে প্রথমদিন ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্ত ছিলো গুগল। শনিবার পৃথক দুটি অতিথি সেশনে যুক্ত থাকবেন ফেসবুক ও মাইক্রোসফটের প্রতিনিধিরা এবং রবিবার প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেবেন ডেল টেকনোলজিসের প্রতিনিধি।

অতিথি সেশনে গত ১১ ফেব্রুয়ারি গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজার (এনবিইউ)-এর হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে মেন্টরিং প্রদান করেন তিনি।

মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে শনিবার থাকছেন বাংলাদেশে ফেসবুকের হেড অব পাবলিক পলিসি শাবহানাজ রাশিদ দিয়া। তিনি আলোচনা করবেন ‘ডিজিটাল ইকোনমি’তে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়ে।

মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে শনিবার মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে অতিথি সেশনে অংশ নেবেন মাইক্রোসফ্ট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলার মাশরুর হোসেন। আর শেষ দিন মেন্টর ডেভলোপমেন্ট ক্যাম্পে প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেবেন টেক জায়ান্ট ডেল টেকনোলজিস-এর এশিয়া প্যাসিফিক অ্যান্ড জাপান (এপিজে) সিএক্সও অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য সোনিয়া বশির কবীর।

চারদিন ব্যাপী এই ‘মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প’-এ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রতি বছর স্নাতক শেষে প্রায় এক মিলিয়ন (১০ লাখ) শিক্ষার্থী চাকরির বাজারে প্রবেশ করে। নিয়ম অনুসারে, তাদের প্রত্যেককে কমপক্ষে একটি থিসিস বা অনুরূপ একাডেমিক প্রজেক্ট বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করতে হয়, তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই প্রজেক্ট বা কনসেপ্ট বা আইডিয়াগুলো একটি রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। ফলস্বরূপ, শিক্ষার্থীরা নতুন কনসেপ্ট বা উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে কাজ করার চেয়ে পূর্বের বছরসমূহে ভালো নম্বর পাওয়া বিষয়গুলো বেছে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এর আওতাধীন শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্প, চুয়েট এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা সেন্টার যৌথভাবে শিক্ষার্থীদের এই একাডেমিক প্রজেক্ট, কনসেপ্ট, আইডিয়াগুলোকে বাস্তব জীবনের পণ্য বা সেবায় রূপান্তর করে তাদের নিজস্ব বিজনেস ভেঞ্চার গড়ে তুলতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ হিসেবেই ‘ইউনিবেটর’ প্রোগ্রামের আয়োজন করছে যেখানে সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইভ্যালি। সূত্র: একুশে টেলিভিশন।