DBCNEWS-1

জমে থাকা উদ্ভাবনী আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু হলো ‘ইউনিবেটর’ প্রজেক্ট

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অ্যাসাইনমেন্ট এবং থিসিস পেপারে জমে থাকা উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক ও আইইবির বিশেষ উদ্যোগ ‘ইউনিবেটর’।

শুক্রবার সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের থিসিস পেপার জমা দিয়ে অংশ নিতে পারবে যে কেউ। আগ্রহীদের প্রশিক্ষিত করার জন্য থাকবে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক ‘মেন্টর’ ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের বিষয়ভিত্তিক স্বপ্ন গুলোকে পণ্য বা সেবায় রূপ দিতেই এমন আয়োজন বলে জানান উদ্যোক্তারা। সূত্র: যমুনা টিভি

BDNews24.com

একাডেমিয়ার সব উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দেবে ইউনিবেটর: পলক

শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গ্র্যাজুয়েট কিংবা গবেষকদের থিসিস, ফাইনাল ইয়ার প্রজেক্ট কিংবা এসাইনমেন্টগুলোর সকল উদ্ভাবনী চিন্তা, ধারণা এবং সেগুলো ভিত্তিক সম্ভাবনাকে পণ্য বা সেবায় রুপান্তরের মাধ্যমে বিজনেস ভেঞ্চারে পরিণত করার জন্যেই ইউনিভার্সিটি ইনকিউবেটর সংক্ষেপে “ইউনিবেটর” প্রোগ্রামের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দপ্তরে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং আইইবি এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইউনিবেটর প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, প্রতি বছর প্রায় ১০ লক্ষ গ্র্যাজুয়েট বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হতে পাস করে বের হয়। নিয়মানুসারে তাদের প্রত্যেককেই কোনো না কোনো থিসিস, রিসার্চ কিংবা ফাইনাল ইয়ার প্রজেক্ট জমা দিয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করতে হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গ্র্যাজুয়েট কিংবা গবেষকদের এই রিপোর্টগুলোতে বেশকিছু ডিজরাপটিভ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী আইডিয়া থাকে। সেগুলো বাস্তব জীবনে পণ্য কিংবা সেবায় রুপান্তর করে সেটার ভিত্তিতে নতুন নতুন বিজনেস ভেঞ্চার তৈরির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেন্টর তৈরির জন্য ইউনিবেটর প্রোগ্রামের উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতাধীন শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার চুয়েট প্রকল্প এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর ঢাকা সেন্টার।

ইউনিবেটর প্রোগ্রামের প্রথম ধাপে ২০টি বাছাইকৃত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মেন্টর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চারদিন ব্যাপী বাংলাদেশের প্রথম মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প আয়োজন, দেশ সেরা ১০টি একাডেমিক প্রজেক্ট বাছাই এর প্রতিযোগিতা এবং সেই ১০টি প্রজেক্টকে মাস ব্যাপী ইনকিউবেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের স্টার্টআপ হিসেবে বাজারে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেরা ১০টি প্রকল্পকে বিনামূল্যে এক মাসের ইনকিউবেশন, স্টার্টআপ লঞ্চিং প্রোগ্রামসহ যাবতীয় ট্রেনিং এবং মেন্টরিং সুবিধা দেয়া হবে এই প্ল্যাটফর্ম থেকে।

এ ছাড়াও বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক স্থাপিত শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও বিজনেস ইনকিউবেটর ও সফটওয়ার টেকনোলজি পার্কের মত স্থাপনাগুলোতে ১ বছরের জন্য বিজনেস স্পেস প্রদান করার পাশাপাশি ইনোভেশন ডিজাইন এন্ড অন্ট্রাপ্রেনরশীপ একাডেমী (আইডিয়া) প্রকল্প এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড হতে ১০ লক্ষ টাকার অনুদানসহ ইক্যুইটি ফান্ডিং এর জন্যও সুযোগ প্রদান করা হবে।

ইউনিবেটরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম পিএএ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং আইইবি’র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম এনডিসি (সচিব), ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) এ এন এম সফিকুল ইসলাম (যুগ্ম সচিব) সহ আরও অনেকেই।

অনুষ্ঠানে আগত এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত সকলকে স্বাগত জানান চুয়েটের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের প্রকল্প পরিচালক এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (টেকনিক্যাল) সৈয়দ জাহুরুল ইসলাম, উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার।

ইউনিবেটর সম্পর্কে বিস্তারিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরামর্শক(স্টার্টআপ পলিসি ও ইনকিউবেশন স্ট্র্যাটেজি) আশিকুর রহমান রুপক এবং সঞ্চালনা করেন আইইবি’র সহকারী সাধারণ সম্পাদক (একাডেমিক ও আন্তর্জাতিক) প্রকৌশলী মো. রনক আহসান।

এছাড়াও সারাদেশ হতে বাছাইকৃত ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হতে মেন্টর হিসেবে নির্বাচিত ২০জন শিক্ষক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। সূত্র: মানবকণ্ঠ

Bangla News 24.com

আইইবি-হাইটেক পার্কের যৌথ উদ্যোগে শুরু ইউনিবেটর

ঢাকা: ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্র ও বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে শুরু হলো ‘ইউনিবেটর’ কর্মসূচি। মেন্টর ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির আওতায় তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) ভৌত ও অনলাইন অবকাঠামোর মাধ্যমে আইইবি মিলনায়তন থেকে ইউনিবেটর কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী (আইসিটি) জুনাইদ আহমেদ পলক অনলাইনে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

কর্মসূচির উদ্বোধন করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা যে জ্ঞাননির্ভর জাতি গড়ে তুলতে চাই, তার জন্য সরকার, একাডেমিয়া এবং ইন্ডাস্ট্রি দরকার। এ তিনটি অংশীদার একত্রিত হয়ে কাজ করলে আমাদের লক্ষ্য পূরণ হবে। তখন আমাদের মাথাপিছু আয় হবে ১২ হাজার ডলারের বেশি। সেই লক্ষ্যপূরণেই আমরা আইইবির সঙ্গে কাজ শুরু করি।

পলক আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদের মাঝেও সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ভালো ভালো আইডিয়া থাকতে পারে। সেই আইডিয়াকে বাণিজ্যিকীকরণ পর্যন্ত যে দীর্ঘ প্রক্রিয়া আছে সেটা যেন সুসম্পর্ক করতে পারে তার জন্যই আমরা ইনকিউবেশন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। তার পাশাপাশি এবার মেন্টরিং উন্নয়নের কর্মসূচি হাতে নিলাম।

সংবাদ সম্মেলনে ইউনিবেটর কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কনসালট্যান্ট আশিকুর রহমান রূপক।

তিনি বলেন, এ আয়োজনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যে মেন্টরিং দক্ষতা বৃদ্ধি, একটি পরিকল্পিত প্রতিযোগিতা এবং একাডেমিকদের থেকে বাজারে নতুন নতুন স্টার্টাপ নিয়ে আসা। এ কর্মসূচি অন্তত এক কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাবে বলে আমাদের আশাবাদ। একই সঙ্গে ২০ জন মেন্টর এবং ১০টি স্টার্টাপ উঠে আসবে বলেও আমরা অনুমান করছি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগমসহ আইইবির ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীরা বক্তব্য দেন। সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪.কম ।

DBCNEWS-1

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায় সরকার

তথ্য প্রযুক্তি খাতে, এবছরই ২০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের থিসিস পেপার থেকে বাছাই করা শীর্ষ ১০টি আইডিয়াকে পণ্য বা সেবায় রূপ দিতে ‘ইউনিবেটর’ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ।

সকালে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার দিকে নজর না দিলে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়। ২০১৫ সাল নাগাদ নাটোরের শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে ৫ লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।সূত্র: এবি নিউজ ২৪.কম ।

DBCNEWS-1

ঢাকায় আরও একটি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক হবে ॥ পলক

অনলাইন রিপোর্টার ॥ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে ঢাকায় আরো একটি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শুক্রবার আইইবি সদর দপ্তরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন ঢাকা কেন্দ্র ও বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে তিন দিনের মেন্টর ডেভলপমেন্ট ক্যাম্প ‘ইউনিবেটর’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

পলক বলেন, আমরা নতুন একটি প্রকল্প নিয়েছি ‘প্রাইভেট ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ যেটা প্রাইম নামে অল্প দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থাপন করতে পারব। এ প্রকল্পে আমাদের যে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক আছে, তার পাশে নতুন একটি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সেন্টার ফর ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রি রেভোলিউশন’ স্থাপন করা হবে, যেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিগ ডেটা অ্যানালাইটিকস, ব্লকচেইন, রোবটিকস- এসব বিষয়ে গবেষণা হবে।

২০৪১ সালের মধ্যে ভবিষ্যত প্রযুক্তিতে ‘নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য’ দক্ষ জনশক্তি তৈরির নানা উদ্যেগের কথা জানিয়ে পলক বলেন, “পদ্মা সেতু পার হয়ে (মাদারীপুরের শিবচরে) হাতের ডান ৭০ একর জায়গায় শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি (সিফট) স্থাপন করা হবে। অর্থাৎ পুরো বিশ্বের যে প্যারাডাইমে শিফট হতে যাচ্ছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে নেতৃত্ব দিতে এ ইন্সিটিউট তৈরি করতে উদ্যেগ গ্রহণ করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে অনেক কিছুই নুতন হচ্ছে, আবার বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, সেজন্য নতুন যুগের সাথে তাল মেলাতে হবে। নতুন পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে না পারলে টিকে থাকা কঠিন হবে।

হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ৩৯টি হাইটেক পার্ক তৈরি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার পাঁচটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে তথ্য দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে জনতা পার্ক শুরু করা হয়। ২০১৬ সালে ৬৪ জেলায় শেখ কামাল ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল, ছাত্রছাত্রীদের যাতে সনদমুখী না হয়ে কর্মমুখী শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়।

এসএসসি ও এইচএসসি পাস করার পর যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করতে চায়, তারা যেন একটি ৬ মাসের কোর্স করিয়ে বা ১২ মাসের একটি ডিপ্লোমা কোর্স করে কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে আত্ম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে, ফ্রিল্যান্সার বা আউটসোসিং করতে পারে, ঢাকামুখী বা বিদেশমুখী না হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলে জানান পলক।

২০২১ সালের মধ্যে ৮টি শেখ কামাল ‘আইটি ট্রেইনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ নির্মাণ কাজ শেষ হবে, বাকিগুলো আগামী ৫ বছরের মধ্যে নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।

পলক বলেন, ২০৪১ সাল নাগাদ এসব ট্রেইনিং সেন্টার থেকে ১০ লাখের বেশি তরুণ তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং ৫ লাখের বেশি কর্মসংস্থান ‘নিশ্চিত করা হবে’।

২০২১ সালে মধ্যে বুয়েট ও চুয়েটে বিজনেস ইনকিউবেটর সেন্টার স্থাপন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “এখানে ছাত্রছাত্রীদের ভেতরে উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা লক্ষ্য করি, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না অনেক সময়। তাদের স্বপন বাস্তবে রূপদান করতে তাদের সহযোগিতা করতে এ ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে।”

মেন্টর ডেভলপমেন্ট ক্যাম্প উদ্যেগ নিয়ে পলক বলেন, ২০ জন মেন্টর নিজ উদ্যেগে এগিয়ে এসেছেন এ অনুষ্ঠানে।

“ইউনিবেটর ক্যাম্পের মাধ্যমে সুপ্ত প্রতিভাগুলো সামনে নিয়ে আসতে চাই। আমাদের তরুণদের মেধার কোনো ঘাটতি নেই, তাদের শুধু সঠিক প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা করা প্রয়োজন এবং সে কাজটি করার জন্য ইউনিবেটর প্রশিক্ষণ উদ্যেগ কাজ করবে।”

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর, প্রকৌশলীদের শীর্ষ সংগঠন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী নুরুল হুদা, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা আইইবির ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ ।

BDNews24.com

ঢাকায় আরো একটি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক: পলক

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে ঢাকায় আরো একটি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শুক্রবার আইইবি সদর দপ্তরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন ঢাকা কেন্দ্র ও বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে তিন দিনের মেন্টর ডেভলপমেন্ট ক্যাম্প ‘ইউনিবেটর’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

পলক বলেন, “আমরা নতুন একটি প্রকল্প নিয়েছি ‘প্রাইভেট ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ যেটা প্রাইম নামে অল্প দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থাপন করতে পারব। এ প্রকল্পে আমাদের যে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক আছে, তার পাশে নতুন একটি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপন করা হবে।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সেন্টার ফর ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রি রেভোলিউশন’ স্থাপন করা হবে, যেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিগ ডেটা অ্যানালাইটিকস, ব্লকচেইন, রোবটিকস- এসব বিষয়ে গবেষণা হবে।

২০৪১ সালের মধ্যে ভবিষ্যত প্রযুক্তিতে ‘নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য’ দক্ষ জনশক্তি তৈরির নানা উদ্যেগের কথা জানিয়ে পলক বলেন, “পদ্মা সেতু পার হয়ে (মাদারীপুরের শিবচরে) হাতের ডান ৭০ একর জায়গায় শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি (সিফট) স্থাপন করা হবে। অর্থাৎ পুরো বিশ্বের যে প্যারাডাইমে শিফট হতে যাচ্ছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে নেতৃত্ব দিতে এ ইন্সিটিউট তৈরি করতে উদ্যেগ গ্রহণ করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে অনেক কিছুই নুতন হচ্ছে, আবার বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, সেজন্য নতুন যুগের সাথে তাল মেলাতে হবে। নতুন পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে না পারলে টিকে থাকা কঠিন হবে।

হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ৩৯টি হাইটেক পার্ক তৈরি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার পাঁচটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে তথ্য দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে জনতা পার্ক শুরু করা হয়। ২০১৬ সালে ৬৪ জেলায় শেখ কামাল ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল, ছাত্রছাত্রীদের যাতে সনদমুখী না হয়ে কর্মমুখী শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়।

এসএসসি ও এইচএসসি পাস করার পর যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করতে চায়, তারা যেন একটি ৬ মাসের কোর্স করিয়ে বা ১২ মাসের একটি ডিপ্লোমা কোর্স করে কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে আত্ম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে, ফ্রিল্যান্সার বা আউটসোসিং করতে পারে, ঢাকামুখী বা বিদেশমুখী না হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলে জানান পলক।

২০২১ সালের মধ্যে ৮টি শেখ কামাল ‘আইটি ট্রেইনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ নির্মাণ কাজ শেষ হবে, বাকিগুলো আগামী ৫ বছরের মধ্যে নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।

পলক বলেন, ২০৪১ সাল নাগাদ এসব ট্রেইনিং সেন্টার থেকে ১০ লাখের বেশি তরুণ তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং ৫ লাখের বেশি কর্মসংস্থান ‘নিশ্চিত করা হবে’। 

২০২১ সালে মধ্যে বুয়েট ও চুয়েটে বিজনেস ইনকিউবেটর সেন্টার স্থাপন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “এখানে ছাত্রছাত্রীদের ভেতরে উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা লক্ষ্য করি, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না অনেক সময়। তাদের স্বপন বাস্তবে রূপদান করতে তাদের সহযোগিতা করতে এ ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে।”

মেন্টর ডেভলপমেন্ট ক্যাম্প উদ্যেগ নিয়ে পলক বলেন, ২০ জন মেন্টর নিজ উদ্যেগে এগিয়ে এসেছেন এ অনুষ্ঠানে।

“ইউনিবেটর ক্যাম্পের মাধ্যমে সুপ্ত প্রতিভাগুলো সামনে নিয়ে আসতে চাই। আমাদের তরুণদের মেধার কোনো ঘাটতি নেই, তাদের শুধু সঠিক প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা করা প্রয়োজন এবং সে কাজটি করার জন্য ইউনিবেটর প্রশিক্ষণ উদ্যেগ কাজ করবে।”

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর, প্রকৌশলীদের শীর্ষ সংগঠন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী নুরুল হুদা, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা আইইবির ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ।

DBCNEWS-1

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায় সরকার

তথ্য প্রযুক্তি খাতে, এবছরই ২০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের থিসিস পেপার থেকে বাছাই করা শীর্ষ ১০টি আইডিয়াকে পণ্য বা সেবায় রূপ দিতে ‘ইউনিবেটর’ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ।

সকালে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার দিকে নজর না দিলে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়। ২০১৫ সাল নাগাদ নাটোরের শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে ৫ লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।
সূত্র: ডিবিসি নিউজ

139712899_2790444774538765_394105312028157518_n

ইউনিবেটর প্রোগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত সকল স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয় সভা

শিক্ষাজীবন, শিক্ষকতা কিংবা গবেষণার অংশ হিসেবে প্রায় সকলকেই নিজের কমপক্ষে একটি একাডেমিক থিসিস কিংবা প্রোজেক্ট করতে হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক এ সকল উদ্ভাবনী এবং সৃজনশীল আইডিয়া বা কনসেপ্টগুলোর সুফল কেবলমাত্র রিপোর্ট এবং সার্টিফিকেটেই সীমাবদ্ধ থেকে যায় । এগুলোকে পন্য কিংবা সেবায় রুপান্তর করে জনসাধারণের জন্য সহজলভ্য করবার মাধ্যমে মার্কেটে নতুন বিজনেস ভেঞ্চার প্রবর্তন এবং জ্ঞান-ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলবার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতাধীন শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার, চুয়েট প্রকল্প এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর ঢাকা সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হচ্ছে “ইউনিবেটর(Unibator)” প্রোগ্রাম। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনা হোসনে আরা বেগম এনডিসি (সচিব) এর সভাপতিত্বে ইউনিবেটর প্রোগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত আইডিয়া প্রকল্প, এটুয়াই ইনোভেশন ল্যাব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সিসিএসহ অন্যান্য সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আজ একটি সমন্বয় সভা আয়োজিত হয়। আগামী ২৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) সকাল ১০ টায় ইউনিবেটর প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবেন আইসিটি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। ইউনিবেটর সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য এবং আপডেট সম্পর্কে জানতে চোখ রাখুন Bangladesh Hi-Tech Park Authority এর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে।

#Unibator

#DigitalBangladesh

#BHTPA

#IEB

#ICTDivision

140540045_2791737874409455_9141466637813988170_n

আইইবি সদর দপ্তরে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং আইইবির প্রতিনিধিদের সাথে প্রস্তুতিমূলক সভা

শিক্ষক, ছাত্র, গ্র‍্যাজুয়েট কিংবা গবেষকদের থিসিস রিপোর্টসহ যাবতীয় সকল একাডেমিক প্রোজেক্ট, কনসেপ্ট কিংবা আইডিয়াগুলোকে বিজনেস ভেঞ্চারে রুপান্তর করতে আসছে “ইউনিবেটর” প্রোগ্রাম।আগামী ২৮ জানুয়ারী সারাদেশ হতে বাছাইকৃত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত বাংলাদেশের প্রথম “মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প(Mentor Development Camp)” আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওয়তাধীন শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার চুয়েট প্রকল্প এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর অন্তর্ভুক্ত ঢাকা সেন্টার। আজ বিকেল ৪টায় আইইবি সদর দপ্তরে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং আইইবির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সমগ্র আয়োজনটির একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ২৯ জানুয়ারী সকাল ১০টায় প্রেস ব্রিফিং এবং উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ইউনিবেটর প্রোগ্রামের যাত্রার শুভসূচনা করবেন বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি।

#Unibator

#DigitalBangladesh

#IEB

#BHTPA

138624830_2788328231417086_5349178063411109668_o

“UNIBATOR” program is Coming Soon.

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ডেটা অনুসারে, প্রতি বছর স্নাতক শেষে প্রায় এক মিলিয়ন (১০ লক্ষ) শিক্ষার্থী চাকরির বাজারে প্রবেশ করে। নিয়ম অনুসারে, তাদের প্রত্যেককে কমপক্ষে একটি থিসিস বা অনুরূপ একাডেমিক প্রোজেক্ট বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করতে হয়, তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই প্রোজেক্ট বা কনসেপ্ট বা আইডিয়াগুলো একটি রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। ফলস্বরূপ, শিক্ষার্থীরা নতুন কনসেপ্ট বা উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে কাজ করার চেয়ে পূর্ব-বছরসমূহ থেকেই টপিক বেছে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এবং দ্য ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) যৌথভাবে শিক্ষার্থীদের এই একাডেমিক প্রোজেক্ট/ কনসেপ্ট/ আইডিয়াগুলোকে বাস্তব জীবনের পণ্য বা সেবায় রূপান্তর করে তাদের নিজস্ব বিজনেস ভেঞ্চার গড়ে তুলতে উত্সাহিত করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে । সরকারী উদ্যোগের আওতায় ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়াকে সংযুক্ত করে ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসছে “ইউনিবেটর” প্রোগ্রাম।। বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন এবং চোখ রাখুন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ফেসবুক পেজে। According to the Data of Bangladesh Bureau of Statistics, about one million (10 Lac) students enter job market every year after graduation. As per the rules, each of them has to complete graduation by compulsorily submitting at least one thesis or similar academic project, but in almost all cases, these projects or concepts / theories or ideas remain confined to one report. As a result, students also feel comfortable choosing topics from previous years rather than working on new concepts or innovative ideas. Bangladesh Hi-Tech Park Authority (BHTPA) jointly with The Institution of Engineers, Bangladesh (IEB) are taking initiatives for encouraging students to build their own business ventures based on these academic concepts, ideas or projects by turning them into real life products or services. In order to take Digital Bangladesh one step further by connecting Industry and Academia under Government Initiative “UNIBATOR” program is Coming Soon. Stay Tuned and Keep an eye on the Facebook page of Bangladesh Hi-Tech Park Authority for further details. #DigitalBangladesh#BHTPA#IEB